চীনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালো ভারত
চীনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালো ভারত
১৯৬২ সালের পর চীন ও ভারতের মধ্যে ফের উত্তেজনা বাড়ছে, তবে এবার যুদ্ধে অস্ত্রের বদলে কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পানি। তিব্বতের সিয়াং নদীতে বৃহৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং বাংলাদেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।তিব্বতের স্থানীয়দের কাছে সিয়াং নদী “এয়ারলোং জাংবু” নামে পরিচিত। চীনের নির্মাণাধীন বাঁধের কারণে ভারতের ভূখণ্ডে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এতে ভারত ও বাংলাদেশের কৃষি, পরিবেশ এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারেভারতও এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে সিয়াং নদীতে নিজস্ব বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে। মোদি প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। গবেষক বি.আর. বিপক বলেন, “চীন যখনই নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করে, তা প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এখন ভারতও একই পথে হাঁটছে।”
পানি নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হবে বাংলাদেশ। গবেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিয়াং নদীতে বাঁধ নির্মাণ হলে ২০টি গ্রাম পুরোপুরি এবং কয়েক ডজন গ্রাম আংশিক তলিয়ে যাবে। এতে মানুষ তাদের বাসস্থান হারাবেবাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, ভারত ও চীনের এই পানি যুদ্ধ নদী নির্ভর অর্থনীতি ও পরিবেশে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের সরকারকে এই বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় হতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন ও ভারত উভয়ের উচিত আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান খোঁজা। প্রতিবেশী দেশগুলোর স্বার্থ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। অন্যথায়, এই পানি যুদ্ধ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি করতে পারে।।।
বিষয়ে শাহ আমানত সেতুর ইজারাদার প্রতিষ্ঠান সেল-ভ্যান জেভির প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুমন ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি যেভাবে ছড়িয়ে গেছে আসলে সে রকম সিরিয়াস কিছু হয়নি। তবে শুক্রবারে গাড়ির চাপ বেশি থাকায় তিনি (বিএনপির নেতা) টোলের বুথে প্রবেশ করে টোলকর্মীকে বকাঝকা করেন। ওই সময় আমাদের কর্মী কথা বলেনি।’ আরও পড়ুনঃ প্রাণ রক্ষায় আশ্রয় নেয়া ৬১৫ জন সেনানিবাস ছেড়েছেন: আইএসপিআর তিনি বলেন, ‘ওই সময় গাড়িবহরে সিটি মেয়র ছিলেন। তিনিও আটকা পড়ায় পরে গাড়ি থেকে নেমে বিকল্প পথে হেঁটে জুমার নামাজ পড়তে চলে যান। বিষয়টি সড়ক ও জনপথ বিভাগ-সওজকে জানানো হয়েছে।’ অভিযোগের বিষয়ে জানতে নাজমুল মোস্তফা আমিনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

Comments
Post a Comment